এটা আদিবাসীদের জন্য.It is for tribals.
"মাছ ধরি, না ছুঁই পানি "—এই নীতি নিয়ে আদিবাসীদের রাজনীতিজীবি, ST cell জীবি, TAC জীবি, Cultural Board জীবি, বুদ্ধিজীবি, অধিকাংশ চাকরীজীবি হাত গুটিয়ে বসে আছে। "সংরক্ষণ ভোগ করব, কিন্তু Fake ST ও অ-আদিবাসীদের ST হওয়ার অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে কিছু বলব না, লিখবনা, মিটিং মিছিলে যোগদান করবনা, কিন্তু আমি চাই fake ST বন্ধ হোক, অ-আদিবাসীরা যাতে ST না হতে পারে।" —এই হচ্ছে এদের মানসিকতা।
সেই সব ... জীবিরা , সে যেকোনো দলেরই মদতপুষ্ট হোক না কেন , ভুয়ো জাতির বিরুদ্ধেও বলবেনা, অন্যায় দাবীর বিরুদ্ধেও বলবেনা। তারা যদি বিশেষ একটা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কথা বলে, তাহলে ভোটে হারবে, পদ হারাবে ও দল থেকে বহিষ্কৃত হবে।
সুতরাং সেই ঝুঁকি তারা কখনও নেবে না। রাজনৈতিক দলের মদতপুষ্ট কিছু অ-রাজনৈতিক সংগঠন /নেতা আছে, তারাও বলবেনা, পাছে "মদত??? " টা বন্ধ হয়ে যায়! কিন্তু তারা সবাই চায় 'আমাদের সংরক্ষণ অক্ষত থাকুক।'
বলি সংরক্ষণ নিরাপত্তাটা দেবে কে???
কয়েকটি "বিষহীন" সামাজিক সংগঠন "সংরক্ষণ" নিরাপত্তা দেওয়ার স্বার্থে ঢোঁড়া সাপের মতো দিনরাত এখানে ওখানে ছোবলমেরে বেড়াচ্ছে আর "... জীবিরা" শিকার ধরার জন্য জাল পেতে বসে আছে।
সংরক্ষিত লোকসভা আসনে এক non Tribe candidate, "দাদাদের" বদান্যতায় ST certificate সংগ্রহ করে নমিনেশন ফাইল করেছে। বাকি বারোজন ক্যান্ডিডেটের কোনো হেলদোল নেই । সেই ব্যক্তি কিভাবে ST certificate পেল, ST certificate পাওয়ার যোগ্য কিনা এই সম্পর্কে তদারকি করা তাদের কোনো নৈতিক দায়িত্ব নেই। "ওটা দেখার দায়িত্ব কমিশনের" - বলে তারা দায় সেরেছে। তারা নাকি আদিবাসীদের সেবা করার জন্য ক্ষমতায় আসতে চাইছে।
এই "জীবিদের" অবহেলার কারণেই আজ Fake ST certificate সারা পশ্চিমবঙ্গে ছেয়ে গেছে ।
"ছোবল মারতে ছাড়বনা, তাতে বিষ লাগুক আর না লাগুক"
All India Adivasi Ho Samaj Council থেকে.
Post a Comment